খাতা-কলম নয়। কাউন্টার চলুক কাগজের চেয়েও দ্রুত।
ইজি ফার্মা একটা কাজই সবচেয়ে ভালো করে — টাইপ করা কমায়। তিনটা কী চেপে বিক্রি, চালানের ছবি তুলে স্টক। ব্যাচ, মেয়াদ, বাকি, লাভ — বাকি সব হিসাব এই দুটো কাজের উপরেই নিজে থেকে দাঁড়িয়ে যায়।
বিক্রি, স্টক, মেয়াদ, বাকি আর প্রিন্ট — কোনো প্ল্যানেই এই কাজগুলো আটকে দেওয়া হয় না।
- ২০ সেকেন্ড
- ৩ আইটেমের একটা পুরো বিল
- ০ ইন্টারনেট
- লাইন না থাকলেও বিক্রি থামে না
- ১ ছবি
- ৪০ লাইনের চালান, হাতে টাইপ ছাড়াই
বিলের লাইন
-
৳ ৬.০০
নাপা ৫০০ মিগ্রা ট্যাবলেট
৪ পিস · ব্যাচ B-2417 · মেয়াদ ০৯/২০২৭
-
৳ ৭০.০০
সেকলো ২০ মিগ্রা ক্যাপসুল
১ পাতা
-
৳ ১৪০.০০
মোনাস ১০ মিগ্রা ট্যাবলেট
১ পাতা
সফটওয়্যার কিনে দুই মাস পরে ফেলে রাখা হয় কেন
বাংলাদেশে ফার্মেসি সফটওয়্যার প্রায় সবসময় একই কয়েক জায়গায় আটকায়। ইজি ফার্মা ঠিক সেগুলো ধরেই বানানো হয়েছে।
৪০ লাইনের চালান হাতে টোকা
সপ্তাহে দুইবারের এই কাজটাই দোকানিকে সফটওয়্যার ছেড়ে খাতায় ফেরত পাঠায়। এখানে চালানের একটা ছবি তুলুন — লাইনগুলো নিজে থেকে উঠে আসে, আপনি শুধু চোখ বুলিয়ে ঠিক আছে বলবেন।
ইন্টারনেট গেলে কাউন্টার বন্ধ
ডেস্কটপ টার্মিনাল আপনার নিজের কম্পিউটারেই চলে। লাইন না থাকলেও বিক্রি, প্রিন্ট, বাকি — সব চলবে। লাইন ফিরলে সব নিজে থেকেই সার্ভারের সাথে মিলে যায়।
খুচরা পিস বিক্রি করা যায় না
কাস্টমার ৪টা ট্যাবলেট নেয়, পুরো পাতা নয়। ইজি ফার্মা পিস, পাতা আর বাক্স — তিনটাই বোঝে, আর স্টক থেকে ঠিক ততটুকুই কমায়।
ব্যাচ আর মেয়াদের হিসাব থাকে না
মেয়াদের হিসাব হাতে না থাকলে কোম্পানিতে ফেরত দেওয়ার সময়টা পার হয়ে যায়, আর সেটা সরাসরি টাকার ক্ষতি। এখানে প্রতিটা পিসের ব্যাচ আর মেয়াদ ধরা থাকে।
বাকির টাকা খাতায় হারায়
কে কত বাকি, কবে কত দিয়েছে — সব এক জায়গায়। কাস্টমারের পুরো হিসাবটা ছবি বানিয়ে হোয়াটসঅ্যাপে পাঠিয়ে দিতে পারবেন।
সব ইংরেজিতে লেখা
পুরো সফটওয়্যার বাংলায় — মেনু, ভুলের বার্তা, রিপোর্ট, ছাপা বিল। কোনো এরর কোড নেই; কী হয়েছে আর এখন কী করতে হবে, সেটা বাংলায় লেখা থাকে।
দোকানের পুরো হিসাব, একটা জায়গায়
কাউন্টার থেকে মালিকের রিপোর্ট পর্যন্ত — প্রতিটা স্ক্রিন একজন সেলসম্যানের হাতের গতিতে চলার জন্য বানানো।
তিনটা কী চাপলেই বিক্রি
সার্চে তিনটা অক্ষর, এন্টার, F4 — বিল শেষ। পুরো বিক্রিটা মাউস ছাড়াই করা যায়, আর কী-বোর্ডের বোতামগুলো প্রতিটা স্ক্রিনে একই থাকে।
পিস, পাতা আর বাক্স
কাটা পাতা বা একটা আলগা ট্যাবলেটও ঠিকভাবে হিসাবে আসে। MRP-র উপরে দাম বসানো যায় না, আর ছাড়ের সীমা মালিক ঠিক করে দেন।
ব্যাচ ও মেয়াদ
যে ব্যাচের মেয়াদ আগে শেষ হবে সেটাই নিজে থেকে আগে বিক্রি হয়। মেয়াদের ড্যাশবোর্ড আগেভাগে বলে দেয় কোনটা এখন ফেরত পাঠানোর সময়।
বাকির খাতা
বাকিতে বিক্রি, কিস্তিতে টাকা নেওয়া, কাস্টমারভিত্তিক হিসাব আর আগের কেনাকাটার তালিকা — কাউন্টারে দাঁড়িয়েই।
চালানের ছবি তুললেই স্টক
ফোনে QR স্ক্যান করে চালানের ছবি তুলুন, বা ফাইল টেনে ছেড়ে দিন। লাইন, ব্যাচ আর মেয়াদ পড়ার পর রঙ দিয়ে দেখানো হয় কোনটা নিশ্চিত আর কোনটা একবার মিলিয়ে নেওয়া দরকার। আপনি হ্যাঁ না বলা পর্যন্ত কিছুই স্টকে ঢোকে না।
ইন্টারনেট ছাড়াই চলে
উইন্ডোজ টার্মিনাল লাইন ছাড়াই দিনের পর দিন চলতে পারে। লাইন ফিরলে জমে থাকা কাজ নিজে থেকেই মিলে যায়, আর কোনো বিল হারায় না।
ওষুধের তালিকা ও খোঁজা
নাম একটু ভুল লিখলেও, বাংলায় লিখলেও ওষুধ পাওয়া যায়। দোকানে যেটা বেশি চলে সেটা উপরে ওঠে, আর প্রতিটা সারিতে বাক্সের ছবি থাকে — নাম বানান করার আগেই চোখে পড়ে।
দিন শেষ ও রিপোর্ট
দিনের শেষে ক্যাশ মেলানো, লাভ, কোন ওষুধ চলছে, স্টকের দাম, মেয়াদে কত ক্ষতি — মালিকের জন্য এক পাতায়, চাইলে হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো যায়।
সাপ্লায়ার ও পাওনা
কার কাছে কত দেনা, কোন চালানের টাকা বাকি, আর এখন কী কী আনতে হবে — সব এক জায়গায়।
ইউজার, পিন আর নিরাপত্তা খাতা
কে কোন কাজটা পারবে সেটা আপনি ঠিক করেন। পিন দিয়ে ইউজার বদলানো, স্ক্রিন লক, আর কে কী করল তার স্থায়ী রেকর্ড।
প্রিন্ট আর বারকোড
থার্মাল প্রিন্টারে বিল ছাপা, বারকোড স্ক্যানার, আর আলাদা যন্ত্র না কিনে ফোনকেই স্ক্যানার বানানো।
ব্যাকআপ ও এক্সপোর্ট
ব্যাকআপ আলাদা কোনো কাজ নয় — সিঙ্কের সাথেই হয়ে যায়। আর আপনার তথ্য যেকোনো সময় নামিয়ে নিতে পারবেন, সব প্ল্যানেই, সাবস্ক্রিপশন বন্ধ থাকলেও।
শুরু করতে এক বিকেলের বেশি লাগে না
-
১
হোয়াটসঅ্যাপে বলুন
দোকানের নাম আর কয়টা কাউন্টার — এইটুকু বললেই হয়। আমরা প্ল্যান আর দাম বলে দিই।
-
২
সেটআপ
উইন্ডোজ কম্পিউটারে ইনস্টলার, নাহলে সরাসরি ব্রাউজারেই। ওষুধের জাতীয় তালিকা আগে থেকেই ভেতরে দেওয়া থাকে।
-
৩
স্টক তুলুন
চালানের ছবি তুলে বা হাতে লিখে প্রথম স্টকটা ঢোকান। ব্যাচ আর মেয়াদ প্রথম দিন থেকেই ধরা পড়ে।
-
৪
বিক্রি শুরু
প্রথম দিন থেকেই কাউন্টার খাতার চেয়ে দ্রুত। একজন সেলসম্যানকে শেখাতে ঘণ্টাখানেক লাগে।
কাউন্টারে কম্পিউটার, মালিকের হাতে ফোন
উইন্ডোজ টার্মিনাল
কাউন্টারের জন্য। ইন্টারনেট ছাড়াই পুরোপুরি চলে, নিজের কম্পিউটারেই তথ্য থাকে, থার্মাল প্রিন্টার আর বারকোড স্ক্যানার সরাসরি লাগে।
- লাইন না থাকলেও বিক্রি, প্রিন্ট আর বাকি চলে
- একাধিক কাউন্টার নিজেদের মধ্যে মিলে যায়
- বাংলা ফন্ট ইনস্টলারের ভেতরেই দেওয়া
ব্রাউজার
মালিকের জন্য। ফোন, ল্যাপটপ বা ট্যাব — যেকোনো জায়গা থেকে দোকানের হিসাব দেখা যায়, আর স্ক্রিনগুলো কাউন্টারের মতোই।
- কিছু ইনস্টল করতে হয় না
- কাউন্টারের সাথে হুবহু একই স্ক্রিন আর একই কী-বোর্ড
- রিপোর্ট আর দিন শেষ যেখান থেকে খুশি
দোকানের মাপ অনুযায়ী প্ল্যান
দাম দোকানের আকার আর কয়টা কাউন্টার তার উপর নির্ভর করে। হোয়াটসঅ্যাপে একটা মেসেজ দিন — আপনার দোকানের জন্য কোনটা লাগবে সেটা বলে দিচ্ছি।
স্ট্যান্ডার্ড
একটা ব্যস্ত দোকান, দুইটা কাউন্টার
দাম জানতে মেসেজ দিন
- বিক্রি, ব্যাচ, মেয়াদ, বাকি আর দিন শেষ — কোনো সীমা ছাড়াই
- ৩ জন ইউজার, ২টা কাউন্টার
- চালান স্ক্যান — নিয়মিত কাজ চালানোর মতো
- ২৪ মাসের রিপোর্ট
- বাকি আর রিফিলের এসএমএস
- সাপ্লায়ারের পাওনা ও অর্ডারের পরামর্শ
- ব্যাকআপ আর এক্সপোর্ট
প্রো
একাধিক দোকান বা শাখা
দাম জানতে মেসেজ দিন
- স্ট্যান্ডার্ডের সবকিছু
- ইউজার আর কাউন্টারে কোনো সীমা নেই
- চালান স্ক্যানের সবচেয়ে বেশি সীমা
- পুরো সময়ের রিপোর্ট
- শাখা ও গুদাম, শাখার মধ্যে মাল পাঠানো
- সব শাখা মিলিয়ে এক রিপোর্ট
দাম নিয়ে যে চারটা কথা আমরা বদলাব না
- দাম দোকানের মাপ অনুযায়ী। যেটা বলা হয়েছে তার বাইরে লুকানো কোনো খরচ নেই।
- কোনো প্ল্যানেই বিক্রি, স্টক তোলা, প্রিন্ট বা দিন শেষ আটকে দেওয়া হয় না।
- কাস্টমারের নিরাপত্তার সাথে জড়িত কিছু — মেয়াদ আটকানো, ফেরত ডাকা ওষুধের খবর — কখনো টাকার পেছনে রাখা হয় না।
- আপনার তথ্য আপনার। ব্যাকআপ আর এক্সপোর্ট সব প্ল্যানে, সাবস্ক্রিপশন বন্ধ হয়ে গেলেও।
যা সবাই জানতে চান
ইন্টারনেট না থাকলে কি দোকান বন্ধ থাকবে?
না। উইন্ডোজ টার্মিনাল লাইন ছাড়াই পুরোপুরি চলে — বিক্রি, বিল ছাপা, বাকি, দিন শেষ, সবই। লাইন ফিরলে জমে থাকা কাজগুলো নিজে থেকেই সার্ভারে চলে যায়, কিছুই হারায় না। ব্রাউজার থেকে কাজ করতে হলে অবশ্য ইন্টারনেট লাগবে।
চালান স্ক্যান কতটা নির্ভুল?
স্ক্যান কতটা ঠিক পড়ল সেটা দিয়ে ঠিক হয় আপনার কত কম কাজ করতে হলো — তথ্য ঠিক কি না সেটা নয়। প্রতিটা লাইন আপনাকে দেখিয়ে, চালানের ছবির টুকরোটা পাশে ধরে, হ্যাঁ বলার পরেই স্টকে ঢোকে। এই ধাপটা বাদ দেওয়ার কোনো উপায় নেই।
আমার দোকানের ওষুধগুলো কি আগে থেকেই থাকবে?
হ্যাঁ। বাংলাদেশের ওষুধের তালিকা সফটওয়্যারের ভেতরেই দেওয়া থাকে, আর সেটা নিয়মিত হালনাগাদ হয়। তালিকায় নেই এমন কিছু — নিজের বানানো প্যাক বা স্থানীয় কোনো জিনিস — আপনি নিজেই যোগ করতে পারবেন।
পুরোনো খাতার হিসাব তোলা যাবে?
শুরুর স্টক, কাস্টমারের বাকি আর সাপ্লায়ারের দেনা তুলে দিতে আমরা সাহায্য করি। যোগাযোগ করলে কীভাবে করব সেটা বলে দিচ্ছি।
কম্পিউটার বদলালে বা নষ্ট হলে তথ্য কি চলে যাবে?
না। সিঙ্ক হওয়া মানেই ব্যাকআপ হয়ে থাকা। নতুন কম্পিউটারে লগ ইন করলেই দোকানের পুরো হিসাব ফিরে আসে।
কর্মচারীরা কি সব দেখতে পাবে?
আপনি ঠিক করবেন কে কী পারবে। কেনা দাম বা লাভ লুকিয়ে রাখা যায়, বিল বাতিল বা ছাড়ের অনুমতি আলাদা করে দেওয়া যায়, আর কে কখন কী করল তার একটা স্থায়ী খাতা থাকে।
চালাতে কী কী লাগবে?
একটা সাধারণ উইন্ডোজ কম্পিউটার আর একটা থার্মাল প্রিন্টার হলেই হয়। বারকোড স্ক্যানার লাগলে ফোনটাকেই স্ক্যানার বানিয়ে নেওয়া যায়, আলাদা যন্ত্র কেনা বাধ্যতামূলক নয়।
রোগীর উপসর্গ লিখে ওষুধ খোঁজা যায়?
না, এবং সেটা ইচ্ছাকৃত। ইজি ফার্মা দোকান চালানোর সফটওয়্যার, চিকিৎসার পরামর্শ দেওয়ার নয়। উপসর্গ দিয়ে ওষুধ খোঁজার কোনো ব্যবস্থা এখানে নেই — কোনো ইউজারের জন্যই রাখা হয়নি।
আজকেই খাতাটা বন্ধ করে দিন
একটা মেসেজ দিন। আপনার দোকানের জন্য কোন প্ল্যানটা লাগবে, আর শুরু করতে কী কী করতে হবে — দুই মিনিটে বলে দিচ্ছি।
হোয়াটসঅ্যাপ
দাম জানার সবচেয়ে সহজ রাস্তা। মেসেজ দিলে সাধারণত কয়েক মিনিটেই উত্তর পাবেন।
01631776875
ফোন
সরাসরি কথা বলতে চাইলে ফোন করুন।
01631776875
ইমেইল
বিস্তারিত লিখে পাঠাতে চাইলে বা কাগজপত্র লাগলে।
support@storeos.bd
শনি – বৃহস্পতি, সকাল ৯টা – রাত ৯টা (বাংলাদেশ সময়)